মহাকাশেই কাটালেন ৯ মাস, গীতা-গণেশের মূর্তি ছাড়াও আর কি কি ছিল “ভারতের মেয়ে” সুনীতার কাছে?

মাত্র ৮ দিনের মহাকাশ সফর যে এভাবে ২৮৬ দিনের মিশনে পরিণত হবে সেটা হয়ত আগে ভাবতেই পারেনি নাসা। দীর্ঘ প্রায় ৯ মাস স্পেস স্টেশনে আটকা থাকার পর ভারতীয় সময় বুধবার ভোর ৩ টে ২৭ মিনিটে স্পেসএক্সের মহাকাশযানে চেপে পৃথিবীতে ফিরলেন সুনীতা উইলিয়ামস (Sunita Williams) এবং বুচ উইলমোর।
সিঙারা, গণেশ মূর্তি সঙ্গে নিয়েই সুনীতার (Sunita Williams) সফর
অবতরণের প্রায় ৫৫ মিনিট পর স্পেসএক্সের (SpaceX) ড্রাগন মহাকাশযান থেকে মুখে উচ্ছ্বসিত হাসি নিয়ে বেরিয়ে আসেন সুনীতা (Sunita Williams)। সারা বিশ্বের পাশাপাশি, ‘ঘরের মেয়ে’ ‘ঘরে’ ফেরায় উদ্বেলিত গোটা ভারতও (India)।শুধু রক্তে নয়, সুনীতা যে আদতেই ‘ভারতের মেয়ে’ সে কথা জানা অনেকেরই। দেশের শিকড়ের সাথেই আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রয়েছে ভারতীয় সংস্কৃতি-ঐতিহ্য। সুনীতার বোন ফাল্গুনী জানিয়েছেন, মহাকাশে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে একটি গণেশ মূর্তি, গীতাও ছিল সুনীতার সাথে। সুনীতার বোন ফাল্গুনী পাণ্ডে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘সুনীতা নিরাপদে ফিরে আসায় পরিবারের তরফে একটি যজ্ঞের আয়োজন করা হয়েছে। একটি গণেশ মূর্তি মহাকাশেও নিয়ে গিয়েছিলেন সুনীতা।’এমনকি মহাশূন্যে গণেশ মূর্তির ভেসে থাকার ছবিও পাঠিয়েছিলেন বলেও জানা যায়। ফাল্গুনীর কথায়, ‘গত ফেব্রুয়ারি মাসে প্রয়াগরাজের মহাকুম্ভ মেলায় গিয়েছিলাম। সেই ছবি পাঠিয়েছিলাম সুনীতাকে। মহাকাশ থেকে মহাকুম্ভ দেখতে কেমন লাগছে সেই ছবিও সুনীতা পাঠিয়েছিল আমায়।’ এরই সাথে ফাল্গুনী জানান, দিদি সুনীতাকে নিয়ে খুব শীঘ্রই ভারতে আসার পরিকল্পনাও রয়েছে তাঁর।ফাল্গুনী বলেন, ‘ও (সুনীতা) পৃথিবীতে ফিরে আসলে ফের আমরা ভারত যাব।’ এমনকি সুনীতা উইলিয়ামসের ভারতীয় খাবার নিয়ে ভালবাসার কথাও এদিন গোপন করেননি বোন ফাল্গুনী। ফাল্গুনী বলেন, ভারতীয় খাবার খুব পছন্দ দিদির। এমনকি মহাকাশ যাত্রার সময় নিজের সাথে সিঙারাও নিয়ে গিয়েছিলেন সুনীতা।
0 Comments
Leave a Comment